সৌরভ-আশুতোষকে আজই মুক্তির আলটিমেটাম ‘ককরোচ’দের

· Prothom Alo

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আজ রোববারের মধ্যে মুক্তি না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।

Visit amunra-online.pl for more information.

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সিজেপি জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবালের সঙ্গে পরামর্শ করেছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সৌরভ ও আশুতোষকে যদি আজকের মধ্যে মুক্তি দেওয়া না হয়, তবে যাঁরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁদের বেআইনি হেফাজতে আটকে রেখেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব। তাঁরা (সিজেপি নেতারা) কোনো অপরাধ করেননি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই।’

‘ককরোচ’ রা বলেছেন, তাঁদের নেতাদের কারাগারে আটকে রাখতে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে এবং এর জন্য দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে।

শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিপকের, এখনো আটক সৌরভ ও রাঙ্কা

পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজত শেষ হতে চললেও দুই নেতার মুক্তি মিলছে না কেন—এমন প্রশ্নে সিজেপির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং বলেন, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। তাঁরা এখন শুধু কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে রত্না সিং বলেন, সৌরভ ও আশুতোষের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

রত্না সিং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কোনো অপরাধ নয়। আমাদের আন্দোলনের ডাক সব সময়ই সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকে। সাধারণ মানুষ দলগত বা এককভাবে শান্তিপূর্ণভাবে এতে অংশ নিক—এটাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।’

এর আগে গতকাল শনিবার সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। আগের দিন শুক্রবার ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় দিপকেকে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। একই ঘটনায় যন্তর মন্তরের পাশ থেকে আটক করা হয়েছিল অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকে। তাঁকেও গতকাল সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভারতে মোদি–বিরোধী আন্দোলনকে ‘ফুটন্ত পরিস্থিতি’র সঙ্গে তুলনা করলেন সালমান রুশদি

পুনেতে শিক্ষার্থীদের তুমুল বিক্ষোভ

এদিকে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বিতর্কিত প্রক্রিয়া বাতিল ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য শহরেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল মহারাষ্ট্রের পুনেতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সিজেপি। কালেক্টর অফিসের কাছে বাবাসাহেব আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে আয়োজিত এ বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনের বিতর্কিত প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। তাঁরা স্পষ্ট করে বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়া পুরোপুরি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

মানমন্দির থাকা যন্তর মন্তর কীভাবে হয়ে উঠল আন্দোলন–প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু

Read full story at source